April 20, 2026, 5:03 am

নকশা বহির্ভূত ভবন নির্মানের এক বছর হলেও ব্যবস্থা নেয়নি রাজ-উক নারায়ণগঞ্জ কর্তৃপক্ষ।

দেশে আইন বলতে কিছু নেই টাকাই সবকিছু সম্ভব,ভবন মালিক রাসেল।
সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পাইনাদি ওয়ার্কশপের মোড় রাসেল পিতা নুরুল ইসলাম। নকশা বহির্ভূত ভবন নির্মাণ করায় পাশের প্লটের মালিক মো: আসেক রাজ-উক নারায়ণগঞ্জ কর্তৃপক্ষের বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কয়েক মাস অতিবাহিত হলেও ব্যবস্থা নেননি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক নারায়ণগঞ্জ। এরপর একজন সাংবাদিক বাদি হয়ে পুনরায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের একবছর হলেও ব্যবস্থা এনি রাজউক কর্তৃপক্ষ। এদিকে ভবন মালিক রাসেল বীর দর্পে বলে বেড়াচ্ছেন এদেশে কোন আইন নাই টাকাই সব সম্ভব।

জানাযায় রাজ -উকের ইন্সপেক্টর আব্দুল মালেক, অথোরাইজ অফিসার সুভঙ্কর রায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন তালবাহানা করে সময় ক্ষেপণ করে আসছেন। এ বিষয়ে রাজউক নারায়ণগঞ্জে দায়িত্ব রত পরিচালক ইয়া হিয়া খানের কাছে মৌখিক অভিযোগ করলে তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানান। তিনি অভিযোগের কপি টি তার হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়ার জন্য বলেন,একাধিক বার অভিযোগের কপি টি হোয়াটসঅ্যাপে দেয়া হলে ও তিনিও বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে সময় ক্ষেপন করে আসছেন।জতবার ইয়াহিয়া খানের সাথে এ বিষয়ে কথা হয় তখনই অভিযোগের কপিটি হোয়াটসঅ্যাপে দিতে বলেন কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি। তাহলে কি ধরে নেয়া যায় রাসেলের কথাই সত্যি টাকায় কি তারা বিক্রি হয়ে গেছেন? দেশে আইন বলে কিছু নেই? টাকাই সব কিছু সম্ভব? এটাই যদি নাহতো তা হলে অভিযোগের ১ বছর হওয়ার পর ও কেন ব্যবস্থা নেয়নি রাজক কর্তৃপক্ষ?

ভবন মালিক রাসেল, যে কথা বলে বেরাছেন, সে বিষয়ে ইয়াহিয়া খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এটি অসত্য কপিটি আমাকে পাঠান আমি দেখতেছি।গত কয়েক মাস আগে ইয়াহিয়া খানের সাথে কথা হলে খান বলেন ইন্সপেক্টর মালেক বদলি হয়েছে অন্য ইন্সপেক্টর আসছে ব্যবস্থা নিচ্ছি। একথা বলার কয়েক মাস পার হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি রাজউক। এবিষয়ে নারায়ণগঞ্জের কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হওয়ার পর ও টনক নড়েনি রাজউক কর্তৃপক্ষের, হতাশায় অভিযোগকারী।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা